চায়ের জনপদ
প্রকাশ : Feb 25, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

১৩ উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড

প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনতে পরীক্ষামূলকভাবে দেশের ১৩টি উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রম চালু করতে যাচ্ছে সরকার। আগামী ১০ মার্চ এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হওয়ার কথা রয়েছে।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় জানানো হয়, শুরুতে দুটি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা থাকলেও তা সম্প্রসারণ করে দেশের ১৩টি উপজেলার ১৩টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারকে সুসংগঠিতভাবে সহায়তা দেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে।

উপকারভোগী নির্বাচন জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) তথ্যের ভিত্তিতে করা হলেও আর্থিক তথ্যের ঘাটতি থাকায় নির্বাচিত ওয়ার্ডে সরেজমিন যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হবে। পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত—এই চার শ্রেণিতে ভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারা জানান, বর্তমানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে প্রায় ৫০ শতাংশ টার্গেটিং ত্রুটি থাকায় অর্থের অপচয় হচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ড চালু হলে একাধিক সুবিধা একীভূত করে এই ত্রুটি কমানো সম্ভব হবে।

অর্থ বিভাগের সচিব বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, টিসিবি কার্ড এবং ভ্যালনারেবল উইমেন বেনিফিট কর্মসূচি একত্রিত করা যেতে পারে। উপকারভোগী নির্বাচনে এনআইডি নম্বর, জন্মতারিখ ও মোবাইল নম্বর বাধ্যতামূলক থাকবে। পাশাপাশি দ্বৈত সুবিধা রোধে অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে আন্তঃসংযোগ রাখা হবে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জানান, প্রতিটি ফ্যামিলি কার্ডে পাঁচজন সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। বড় পরিবারের ক্ষেত্রে প্রতি পাঁচজনের জন্য আলাদা কার্ড দেওয়া হবে। একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা পাবেন না, তবে পরিবারের অন্যান্য সদস্য সুবিধা পেতে পারবেন।

প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে—সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই, বনানীর কড়াইল বস্তি, পাংশা, পতেঙ্গা, বাঞ্ছারামপুর, লামা, খালিশপুর, চরফ্যাশন, ভৈরব, বগুড়া সদর, লালপুর, ঠাকুরগাঁও ও নবাবগঞ্জে।

উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠন করে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে উপকারভোগীর তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। অনুদানের অর্থ ব্যাংক বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। নারীরা খানা প্রধান হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন; তিনি অন্য ভাতা না পেলেও পরিবারের অন্য সদস্যরা সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।


মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শ্রীমঙ্গলে ভোজ্য তেল মজুদ: যৌথবাহিনীর অভিযানে জরিমানা

1

টি–১০ এর নতুন সম্রাট: টিম ডেভিডের ঝড়ে প্রথমবারেই শিরোপা জিতল

2

দাঁত ব্রাশ করছেন ঠিকই, কিন্তু ব্রাশই যদি হয় জীবাণুবাহী?

3

নির্বাচনী ট্রেনে উঠেছে দেশ

4

বসন্ত ও ভালোবাসায় রঙিন তারকারা

5

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত

6

মৌলভীবাজার থেকে চোরাই ৬টি সিএনজি সুনামগঞ্জ থেকে উদ্ধার, আটক

7

সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ডিআরইউয়ের

8

সিলেটের মোগলাবাজারে উদয়ন এক্সপ্রেস লাইনচ্যূত

9

পাঁচ মাসে গাজা দখলের পরিকল্পনা নেতানিয়াহুর

10

জ্যাকসের অলরাউন্ড ঝড়ে শ্রীলঙ্কা গুঁড়িয়ে ইংল্যান্ডের জয়

11

বিশ্বকাপের আগে শেষ টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতল বাংলাদেশ

12

ট্রাম্প ওয়াশিংটনে পৌঁছেছেন, প্রথম দিনেই সই করবেন রেকর্ডসংখ্য

13

অবৈধ চা ব্যবসার বিরুদ্ধে শ্রীমঙ্গলে চা বোর্ডের ‘জিরো টলারেন্

14

ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়ের পর সমিত সোম নিজ বাড়িতে ফিরতেই উ

15

টিফিনের টাকায় শ্রীমঙ্গলে শিশুদের খাতা কলম উপহার

16

শ্রীমঙ্গলে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন

17

শ্রীমঙ্গলে শিশু উন্নয়ন প্রকল্পের নানা আয়োজনে জাতীয় কন্যা শিশ

18

প্রিজাইডিং কর্মকর্তার নিরাপত্তায় থাকবেন একজন সশস্ত্র আনসার

19

সিলেট রেলপথে বিশেষ ট্রেন চালু ও সংস্কারসহ ৮দফা দাবিতে শ্রীমঙ

20