মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে স্থাপিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল শুক্রবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় ছাত্র ও জনসাধারণের বিক্ষোভের মুখে বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিকেলে শুরু হওয়া এ spontaneous বিক্ষোভে শতাধিক শিক্ষার্থী ও স্থানীয় নাগরিক অংশ নেয়। তারা উল্লাস করে ম্যুরালটি অপসারণ করে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগান দেয়। উপস্থিত বিক্ষোভকারীরা বলেন, “বাংলাদেশের জমিতে মুজিবের স্থান নেই”, এই দাবি তারা বহুদিন ধরেই জানিয়ে আসছিলেন।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, ম্যুরালটি কোনো গণদাবির ভিত্তিতে নির্মিত হয়নি। বরং সরকারের ‘অবৈধ সিদ্ধান্তে’, জনমতের তোয়াক্কা না করে কোটি কোটি টাকা অপচয় করে এটি স্থাপন করা হয়েছিল।
একজন বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থী বলেন, “ভারতে আশ্রয় নিয়ে পতিত স্বৈরাচার হাসিনা যখন দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তখন আমরা ছাত্রসমাজ প্রস্তুত আছি দেশকে রক্ষার জন্য।”
তারা আরও অভিযোগ করেন, বঙ্গবন্ধুর নামে রাষ্ট্রে গড়ে তোলা হয়েছে এক প্রকার রাজতন্ত্র, যা বর্তমানে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরিণত হয়েছে এক কঠোর স্বৈরতান্ত্রিক শাসনে। বিক্ষোভকারীদের ভাষায়, “এই শাসন গণতন্ত্রকে হত্যা করে, ছাত্রদের ওপর গুলি চালায়, গুম, নিখোঁজ ও মিথ্যা মামলার মাধ্যমে গোটা দেশকে ভয়ের কারাগারে পরিণত করেছে। সেই শাসনের প্রতীক ভাঙা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”